ছবিতে যে ব্যাক্তিকে দেখছেন, তিনি তার জন্মদাত্রী মাকে হাত পা বেধে পুড়িয়ে হত্যা করেছেন। ৬৫ বছরের মা খুকি বেগমের চিৎকারের আওয়াজ যেন বাইরে না যায়, সেজন্য এই গুনধর পুত্র উচ্চস্বরে সাউন্ডবক্স বাজিয়ে দেন। মায়ের অপরাধ পুত্রের চাহিদামত নেশার পাচঁ হাজার টাকা দেয়নি।
ঘটনার পর প্রতিবেশীরা সেই মাকে উদ্ধার করে বগুড়া সজিমেক হাসপাতালে পাঠান। সন্ধ্যা ৬ টায় তার মৃত্যু হয়।
প্রতিবেশিরা আরও জানান, হত্যার আগে রশি দিয়ে মায়ের হাত-পা বেঁধে ঘরের মেঝেতে ফেলে কম্বল দিয়ে ঢেকে দেন খোকন। মোটর সাইকেলের পেট্রল দিয়ে শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। মায়ের চিৎকার যাতে কেউ শুনতে না পায় সেজন্য ঘরে উচ্চ শব্দে সাউন্ডবক্স বাজানো হয়।
পুলিশ ও প্রতিবেশি ফিরোজ মাহমুদ হিরা জানান, খোকন গজারিয়া গ্রামের আবদুস সামাদ মন্ডলের ছেলে। (সূত্র বাংলা ট্রিবিউন)
গর্ভধারিণী মাকে হত্যার জন্য কি শুধু কুলাঙ্গার ছেলে খোকন একা দায়ী? দেশে যারা মাদক আমদানি করেন, সরবরাহ করেন, যারা খোকনদের মত লোকদের হাতে মাদক তুলে দেয়, যারা নয়ন বন্ডদের তৈরী করে সেই সমস্ত গডফাদাররা দায়ী নয়? অথচ সেই গডফাদারদের বাচাঁনোর জন্য কত আয়োজন!!
নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি মা, বাবা, পরিবার পরিজন কাউকে চিনে না। যতদিন পর্যন্ত এই গডফাদারদের বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা না হবে, ততদিন পর্যন্ত পুত্রের হাতে এরকম আরও মা বাবা ও পরিবার পরিজনের মৃত্যুর খবর শুনতে হবে।( সংগৃহীত ফেসবুক) ।
ঘটনার পর প্রতিবেশীরা সেই মাকে উদ্ধার করে বগুড়া সজিমেক হাসপাতালে পাঠান। সন্ধ্যা ৬ টায় তার মৃত্যু হয়।
প্রতিবেশিরা আরও জানান, হত্যার আগে রশি দিয়ে মায়ের হাত-পা বেঁধে ঘরের মেঝেতে ফেলে কম্বল দিয়ে ঢেকে দেন খোকন। মোটর সাইকেলের পেট্রল দিয়ে শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। মায়ের চিৎকার যাতে কেউ শুনতে না পায় সেজন্য ঘরে উচ্চ শব্দে সাউন্ডবক্স বাজানো হয়।
পুলিশ ও প্রতিবেশি ফিরোজ মাহমুদ হিরা জানান, খোকন গজারিয়া গ্রামের আবদুস সামাদ মন্ডলের ছেলে। (সূত্র বাংলা ট্রিবিউন)
গর্ভধারিণী মাকে হত্যার জন্য কি শুধু কুলাঙ্গার ছেলে খোকন একা দায়ী? দেশে যারা মাদক আমদানি করেন, সরবরাহ করেন, যারা খোকনদের মত লোকদের হাতে মাদক তুলে দেয়, যারা নয়ন বন্ডদের তৈরী করে সেই সমস্ত গডফাদাররা দায়ী নয়? অথচ সেই গডফাদারদের বাচাঁনোর জন্য কত আয়োজন!!
নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি মা, বাবা, পরিবার পরিজন কাউকে চিনে না। যতদিন পর্যন্ত এই গডফাদারদের বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা না হবে, ততদিন পর্যন্ত পুত্রের হাতে এরকম আরও মা বাবা ও পরিবার পরিজনের মৃত্যুর খবর শুনতে হবে।( সংগৃহীত ফেসবুক) ।
